বাংলাদেশে আসতে আগ্রহী পেপাল, তবে প্রক্রিয়া দীর্ঘ: লুৎফে সিদ্দিকী

ছবি সংগৃহীত

 

অনলাইন ডেস্ক :  আন্তর্জাতিক ডিজিটাল পেমেন্ট সেবা প্রতিষ্ঠান পেপাল (PayPal) অবশেষে বাংলাদেশের বাজারে প্রবেশের বিষয়ে নীতিগতভাবে আগ্রহ দেখিয়েছে। তবে এ আগ্রহ বাস্তবায়নে সময় লাগবে এবং এটি একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে এগোবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী।

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান।

লুৎফে সিদ্দিকী বলেন, পেপাল নিয়ে অনেক বছর ধরেই আলোচনা চলছিল। কিন্তু নানা কারণে তারা আমাদের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হতে চাচ্ছিল না। গত বছরের ১ ডিসেম্বরের দিকে কয়েক মাস অনুরোধের পর তারা প্রথমবারের মতো একটি সিনিয়র লেভেলের টিম বাংলাদেশে পাঠায়।

তিনি জানান, পেপালের এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের প্রেসিডেন্ট হেড (সিঙ্গাপুরভিত্তিক), সাউথ এশিয়ার প্রধান (দিল্লিভিত্তিক) এবং আরও কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা চার-পাঁচ দিন ধরে বাংলাদেশে অবস্থান করেন। এ সময় তারা দেশের উদ্যোক্তা, বেসরকারি খাতের প্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করেন। পাশাপাশি বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ও আইসিটি খাতের সংশ্লিষ্টদের সঙ্গেও তাদের বৈঠক হয়।

প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত বলেন, এবার প্রথম বারেরমতো উচ্চ পর্যায়ে আমার সঙ্গে তাদের বৈঠক হয়েছে। ইন প্রিন্সিপাল তারা বাংলাদেশে আসার ব্যাপারে আগ্রহী। তবে আমি খুব সতর্কভাবে বলছি—এটা নিয়ে যেন ভুল হেডলাইন না হয়। পেপাল এখনই আসছে—এমন ধারণা তৈরি করতে তারা নিজেরাই চাচ্ছে না।

লুৎফে সিদ্দিকী আরও ব্যাখ্যা করেন, পেপালের মতো একটি বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানের নতুন কোনো দেশে কার্যক্রম শুরু করতে হলে দীর্ঘ অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়। ওদের নিজেদের মধ্যে ডিবেট হবে, বোর্ডে আলোচনা হবে। এই পুরো প্রসেসটা তারা এখন শুরু করতে যাচ্ছে।

তবে নিজের ব্যক্তিগত মূল্যায়ন তুলে ধরে লুৎফে সিদ্দিকী বলেন, আমার ইম্প্রেশন হলো—ওরা ফুললি কনভিন্সড। বাংলাদেশের ডেমোগ্রাফিক পোটেনশিয়াল আগেও ছিল, এখনও আছে। তবে এবার তারা সবচেয়ে বেশি কনফিডেন্স ফিল করেছে আমাদের গভর্ন্যান্স নিয়ে। বিশেষ করে গভর্নরের সঙ্গে এবং প্রাইভেট সেক্টর ব্যাংকের এমডিদের সঙ্গে কথা বলার পর তারা দেখেছে ব্যাংকিং সেক্টরের পরিস্থিতি আগের মতো নেই, উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে।

প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি জানান, পেপালের পক্ষ থেকে এখন আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু করার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» আমরা ক্ষমতায় গেলে রাজশাহীতে পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণ করবো: তারেক রহমান

» রাজশাহী পৌঁছে শাহ মখদুমের মাজার জিয়ারত করলেন তারেক রহমান

» নতুন আলো সাহিত্য পরিষদের গুণীজন সংবর্ধনা সম্মাননায় ভূষিত হলেন কথাসাহিত্যিক সুলেখা আক্তার শান্তা

» নিপাহ ভাইরাস: কী এই রোগ, কেন এটি ভয়ংকর? এশিয়ার বিভিন্ন দেশে সতর্কতা

» শুক্রবার দেশের যেসব এলাকায় ২৪ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না

» নিহত জামায়াত নেতা রেজাউল করিমের সুরতহাল সম্পন্ন, মাথা-কপালে-নাকে আঘাতের চিহ্ন

» বাসে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করলেন জামায়াত আমির

» রাজশাহীতে তারেক রহমান, মাদ্রাসা ময়দানের জনসভায় জনস্রোত

» নির্বাচিত হলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে অপরাধ দমন করবেন মামুনুল হক

» শেরপুরের ঘটনা অনাকাঙ্ক্ষিত, সুষ্ঠু তদন্ত চায় বিএনপি : মাহদী আমিন

 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন: ই-মেইল : [email protected],

মোবাইল :০১৫৩৫১৩০৩৫০

Desing & Developed BY PopularITLtd.Com
পরীক্ষামূলক প্রচার...

বাংলাদেশে আসতে আগ্রহী পেপাল, তবে প্রক্রিয়া দীর্ঘ: লুৎফে সিদ্দিকী

ছবি সংগৃহীত

 

অনলাইন ডেস্ক :  আন্তর্জাতিক ডিজিটাল পেমেন্ট সেবা প্রতিষ্ঠান পেপাল (PayPal) অবশেষে বাংলাদেশের বাজারে প্রবেশের বিষয়ে নীতিগতভাবে আগ্রহ দেখিয়েছে। তবে এ আগ্রহ বাস্তবায়নে সময় লাগবে এবং এটি একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে এগোবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী।

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান।

লুৎফে সিদ্দিকী বলেন, পেপাল নিয়ে অনেক বছর ধরেই আলোচনা চলছিল। কিন্তু নানা কারণে তারা আমাদের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হতে চাচ্ছিল না। গত বছরের ১ ডিসেম্বরের দিকে কয়েক মাস অনুরোধের পর তারা প্রথমবারের মতো একটি সিনিয়র লেভেলের টিম বাংলাদেশে পাঠায়।

তিনি জানান, পেপালের এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের প্রেসিডেন্ট হেড (সিঙ্গাপুরভিত্তিক), সাউথ এশিয়ার প্রধান (দিল্লিভিত্তিক) এবং আরও কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা চার-পাঁচ দিন ধরে বাংলাদেশে অবস্থান করেন। এ সময় তারা দেশের উদ্যোক্তা, বেসরকারি খাতের প্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করেন। পাশাপাশি বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ও আইসিটি খাতের সংশ্লিষ্টদের সঙ্গেও তাদের বৈঠক হয়।

প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত বলেন, এবার প্রথম বারেরমতো উচ্চ পর্যায়ে আমার সঙ্গে তাদের বৈঠক হয়েছে। ইন প্রিন্সিপাল তারা বাংলাদেশে আসার ব্যাপারে আগ্রহী। তবে আমি খুব সতর্কভাবে বলছি—এটা নিয়ে যেন ভুল হেডলাইন না হয়। পেপাল এখনই আসছে—এমন ধারণা তৈরি করতে তারা নিজেরাই চাচ্ছে না।

লুৎফে সিদ্দিকী আরও ব্যাখ্যা করেন, পেপালের মতো একটি বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানের নতুন কোনো দেশে কার্যক্রম শুরু করতে হলে দীর্ঘ অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়। ওদের নিজেদের মধ্যে ডিবেট হবে, বোর্ডে আলোচনা হবে। এই পুরো প্রসেসটা তারা এখন শুরু করতে যাচ্ছে।

তবে নিজের ব্যক্তিগত মূল্যায়ন তুলে ধরে লুৎফে সিদ্দিকী বলেন, আমার ইম্প্রেশন হলো—ওরা ফুললি কনভিন্সড। বাংলাদেশের ডেমোগ্রাফিক পোটেনশিয়াল আগেও ছিল, এখনও আছে। তবে এবার তারা সবচেয়ে বেশি কনফিডেন্স ফিল করেছে আমাদের গভর্ন্যান্স নিয়ে। বিশেষ করে গভর্নরের সঙ্গে এবং প্রাইভেট সেক্টর ব্যাংকের এমডিদের সঙ্গে কথা বলার পর তারা দেখেছে ব্যাংকিং সেক্টরের পরিস্থিতি আগের মতো নেই, উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে।

প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি জানান, পেপালের পক্ষ থেকে এখন আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু করার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



সর্বাধিক পঠিত



 

সম্পাদক ও প্রকাশক :মো সেলিম আহম্মেদ,

ভারপ্রাপ্ত,সম্পাদক : মোঃ আতাহার হোসেন সুজন,

নির্বাহী সম্পাদকঃ আনিসুল হক বাবু

আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন: ই-মেইল : [email protected],

মোবাইল :০১৫৩৫১৩০৩৫০

Design & Developed BY ThemesBazar.Com